রামপুরহাটের রিনিঝিনি
যোগাযোগ:
অনলাইন সাহিত্য ও সংবাদ ম্যাগাজিন।
Friday, October 10, 2014
ছড়া:ফুল ফোটে
গল্প:লাল কালির বৃত্ত
Wednesday, October 8, 2014
Sunday, June 16, 2013
সবকিছু হাসির বিষয় নয়-১৪৮
(১)
শিক্ষকঃ এই যে আমি ব্যাঙটা কাটলাম,তোমরা নিশ্চয় খেয়াল
করে দেখেছো?
ছাত্রছাত্রীরা সমবেত স্বরেঃহ্যাঁ স্যার।
শিক্ষকঃ ভেরী গুড,মানুষের পেট এভাবে কাটলে আমি কি-কি দেখবো?
অত্যুৎসাহী এক ছাত্র বললঃ আগে পুলিশ তারপর জেলখানা।
(২)
কবর খোঁড়ার কাজ করে এমন একজন শহরের রাস্তায় হাঁটছিল।পেছনে
একজন ডাক্তার আসছেন দেখে সে পথ ছেড়ে দিল।বললঃ আপনি আগে
থাকুন ডাক্তারবাবু।
ডাক্তারঃ কেন বলতো?
কবরখোদকঃ পেশায় আপনার পরে আমার স্থান কিনা।
(৩)
এক বুড়ো ফকির গোরস্থানে বসে আছে।
কয়েকজন রাখাল তাকে উত্তক্ত করছে।
ফকির নির্বিকার।
শেষে এক রাখাল তার তাপ্পিমারা ঝোলাটা নিয়ে মারল ছুট।
অন্যরা বললঃধরুন,ওকে ধরুন,ও আপনার ঝোলা নিয়ে পালাল।
ফকির শান্ত স্বরে বললঃ পালিয়ে যাবে কতদূর,ওকে এখানেই আসতে হবে।
(৪)
ছেলেঃ জানো মা আমি একটা নাটকে অভিনয় করছি।
মাঃ তাই নাকি,তা কিসের রোলে তুমি অভিনয় করছো?
ছেলেঃ একজন বিবাহিত পুরুষের রোল।
মাঃ তারমানে এই নাটকে তোমার কোন ডায়লগ নেই।
(৫)
বাবা ছেলে পড়াচ্ছেন দাস-প্রথার ইতিহাস। এমন সময় গিন্নি
হাঁক ছাড়লেন,বাজারটা কি আজ আসবে না?
বাবা মৃদু হেসে ছেলেকে বললেনঃ এই দাস-প্রথার কথা ইতিহাস লেখে
না,তবু আগামীর কথা ভেবে তুমি জেনে রাখো,এর নাম ঘরোয়া
দাস-প্রথা।
Monday, June 10, 2013
কবিতা:চৈতালী-লোক
কবিতা:চৈতালী-লোক
@ তুষার আহাসান
আলোক-সন্ধ্যায় রোজ রাজপথ ছাড়ি
সুলভের হাতছানি ঘুঙুরে-মাদলে
আলে শুয়ে থাকা কাদমাটি-জোছনা
কুয়াশায় ভিজে যাওয়া বৃষ্টি-আদলে।
বিষুবরেখায় জাগে জীবনের পাকদন্ডী তপস্যা-পাথর
চোখের ভেতর ওড়া প্রজাপতি ধরি
বেহিসেবী কথা বলে ঝিনুকে-শামুকে
জল ছিটিয়ে ভেঙে দিই আলো বিভাবরী।
বুনো ঘোড়ার শব্দে জাগে রাত
তারার কাছেই ছিল ভোরের সুখবর
ধানজমি কথা দেয় উর্বরতার অবকাশে
পাখির ডানায় বাঁচে পাতার বিবর
ওড়ার বাজনা বাজে সুখ রাজ্যময়
সর্পিল শব্দে গাঁথা শাপান্তের শোক
হেঁটে চলা আদিম পায়ে জন্মান্তরের দাগ
শিশুর হাসিতে ভোলা চৈতালী-লোক।
Sunday, June 9, 2013
আমার ধরা খাওয়া-1
আমার ধরা খাওয়া-১
জীবন আমাকে তার প্রতিটি বাঁকে চমক দেখায়। সেই চমকের কিছু
গল্প ‘জীবনের প্রতি বাঁকে আশ্চর্য চমক’ শিরোনামে লিখছি।
এই সিরিজে আমি বলব আমার ধরা খাওয়ার গল্পগুলি।
নতুন বাড়ির ইলেকট্রিক ওয়ারিং করতে হবে। গেলাম বিখ্যাত
একটা দোকানে।বললাম,একটা ভাল ওয়ারিং মিস্ত্রির খোঁজ দিতে
পারেন।
দোকানদার বলল: একটা কেন একশটার খোঁজ দিতে পারি।
আমি বললাম:একশটা নিয়ে আমি কি করব,আমার দরকার একজন
দক্ষ ও সৎ মিস্ত্রি।
---পাবেন,এখানেই পাবেন।একটু বসুন।
দোকানদার মোবাইল কল করল।আমি বসলাম।
এক ঘন্টা হয়ে গেল তবু মিস্ত্রি আসে না।
বললাম: আপনার মিস্ত্রি কি দুবাইয়ে থাকে।
---আরে না,না,সে এই পাশের বাড়িতে ওয়ারিং করছে,বিশ্বস্ত
কিনা,তাই হাতের কাজ ছেড়ে আসতে পারছে না।
আরো একঘন্টা পরে মিস্ত্রি এল।
বললাম,একটা ষোল বাই চৌদ্দ ঘর ওয়ারিং করতে কি-কি মাল
লাগবে লিস্ট তৈরী করুন।
মিস্ত্রি বলে আর দোকানদার লেখে।
বিশাল ফর্দ তৈরী হল।
আমি একশ টাকা অ্যাডভান্স দিয়ে বললাম,কাল এসে মাল সব নিয়ে যাব।
পরদিন বিকেলে এমন বৃষ্টি এল,ঘর থেকে বের হতে পারলাম না।
পরদিন সকালে গিয়ে দেখি দোকানে শাটার ফেলা।দোকান বন্ধ।
মিস্ত্রিকে ফোন করলাম।মিস্ত্রি এল।বলল,ওর ছেলে অসুখ,ডাক্তার দেখাতে
গেছে।চলুন অন্য দোকানে যাই।
---কিন্তু আমার অ্যাডভান্সের টাকা?
---ওটা দিয়ে পরে অন্য কোন মাল নিয়ে নেবেন।
অন্য দোকানে মালপত্র কেনা হল। ওয়ারিংও হয়ে গেছে।মিস্ত্রির কাছেও ধরা
খেয়েছি,সে গল্প আগামী পর্বে বলব।
সে প্রায় দুমাস
আগের কথা,এখনও সেই দোকানদারের দোকান বন্ধ।ছেলের চিকিৎসা
করাতে বোধহয় দক্ষিণ ভারত গেছে।কবে ফিরবে কে জানে।আমার
অ্যাডভান্সের কথা তার মনে থাকবে কিনা কে জানে।
এখন যখন আমি ওই রাস্তায় যাই বন্ধ থাকা দোকানটিকে একবার দেখি।
মনে ভাবি,আমার বয়সী লোকরা তো এখন যে-যেদিকে পারছে টাকা
ইনকাম করছে। টাকাই নাকি তাদের হাতে ধরা দিচ্ছে!
আর আমি কিনা এই বয়সে নগদ ১০০ টাকা ধরা খেলাম!!!!!!!!!!!!
Subscribe to:
Comments (Atom)